ঢাকা , রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬ , ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সোমবার থেকে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, মসজিদ-মন্দির-গির্জায় প্রচারণার নির্দেশ নেত্রকোনায় বিচারিক কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স ‘শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু’র অগ্রগতি জানতে চেয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অধ্যক্ষের বাড়িতে নিয়োগ পরীক্ষা, ফল ঘোষণা মাদ্রাসায় প্রবীণ সাংবাদিক আমির খসরু মারা গেছেন খোলা হলো লালন মাজারের দানবাক্স, কত টাকা মিলল চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের উপকূলে মা ইলিশ সংরক্ষণে যৌথ অভিযান লালমনিরহাটে প্রাতঃভ্রমণে গিয়ে ট্রাকচাপায় দুই নারী নিহত ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লা সীমান্তে ৩৪ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল নিক্ষেপের ঘটনায় আটক ৩ কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী বিমানের চাকা বিচ্ছিন্ন, শাহজালালে জরুরি অবতরণ বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের প্রকল্প দেখলেন প্রধানমন্ত্রী, বাস্তবায়নে সহায়তার আশ্বাস দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আটক ‘বাংলাদেশে কোনো সংখ্যালঘু নেই, সবাই সমান নাগরিক অধিকার ভোগ করবে’ নকল ওয়েবসাইটে চাকরির প্রলোভন, ২৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে নারী গ্রেপ্তার মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশের এহতিশামুল হক হিরা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চায় বিএনপি: আমান ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে আটক করল পুলিশ ‘গাজায় নামমাত্র যুদ্ধবিরতি আছে, বাস্তবে নেই’ দিল্লিতে মেট্রো-ট্রেন বন্ধ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্যের অভিযোগে আবেদন

‘গাজায় নামমাত্র যুদ্ধবিরতি আছে, বাস্তবে নেই’

  • আপলোড সময় : ১০-১০-২০২৬ ১২:১১:২৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-১০-২০২৬ ১২:১১:২৯ অপরাহ্ন
‘গাজায় নামমাত্র যুদ্ধবিরতি আছে, বাস্তবে নেই’

গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার এক বছর পেরিয়ে গেলেও ফিলিস্তিনিদের প্রাণহানি, খাদ্যসংকট ও বাস্তুচ্যুতি থামেনি। গত এক বছরে ইসরাইলি হামলায় অন্তত ১ হাজার ৪৭১ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৫ হাজার ১৮৯ জন আহত হয়েছেন। প্রায় ২০ লাখ মানুষের জরুরি ভিত্তিতে আশ্রয় প্রয়োজন। এমন পরিস্থিতিতে ১০০টির বেশি মানবিক, মানবাধিকার ও নাগরিক সংগঠন বলেছে, গাজায় যুদ্ধবিরতি এখন শুধু নামেই টিকে আছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনগুলো জানায়, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও গাজায় প্রতিদিন ফিলিস্তিনিরা ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় নিহত ও আহত হচ্ছেন। একই সঙ্গে ত্রাণ, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও পুনর্গঠনসামগ্রী প্রবেশে বিধিনিষেধের কারণে যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার পথ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিল, সেভ দ্য চিলড্রেন, অক্সফাম ও গ্রিনপিসসহ শতাধিক আন্তর্জাতিক সংস্থা এই বিবৃতিতে অংশ নিয়েছে। তাদের মতে, যুদ্ধবিরতির আড়ালে গাজায় হত্যাকাণ্ড ও মানবিক সংকটকে স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে মেনে নেওয়া যায় না।

২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। তবে চুক্তির এক বছর পরও সহিংসতা, খাদ্যসংকট ও বাস্তুচ্যুত মানুষের দুর্ভোগ অব্যাহত রয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরাইলি হামলায় নিহতদের মধ্যে অন্তত ৩২৭টি শিশু রয়েছে।

নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিলের মহাসচিব জান এগেলান্ড বলেন, যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের এক বছর পরও ফিলিস্তিনিদের জীবনে সামান্যই পরিবর্তন এসেছে। গাজার মানুষের দুর্ভোগ কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। তিনি আরও বলেন, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও নির্মাণসামগ্রী প্রবেশে ইসরাইলি বিধিনিষেধের কারণে পরিবারগুলোর পক্ষে জীবন পুনর্গঠন করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

সেভ দ্য চিলড্রেনের প্রধান নির্বাহী ইনগার অ্যাশিং বলেন, শিশুরা যখন নিহত হচ্ছে এবং পরিবারগুলো জীবন পুনর্গঠনের সুযোগ পাচ্ছে না, তখন যুদ্ধবিরতির অর্থই হারিয়ে যায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, আহতদের প্রায় ২৪ শতাংশ এমন ধরনের আঘাত পেয়েছেন, যার জন্য দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন প্রয়োজন। এসব আহতের প্রায় এক-চতুর্থাংশ শিশু। এদিকে গাজার স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোও সংকটের মধ্যে রয়েছে; ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও জ্বালানির ঘাটতিতে হাসপাতালগুলো প্রয়োজনীয় সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড বলেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে জবাবদিহির বিষয়টি চাপা পড়ে থাকতে পারে না। ইসরাইলকে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের বাধ্যতামূলক নির্দেশনা মেনে চলতে চাপ দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যর্থতা ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের ঝুঁকি আরও বাড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

যৌথ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গাজার প্রায় ২০ লাখ মানুষের জরুরি আশ্রয় প্রয়োজন এবং বিপুলসংখ্যক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। ত্রাণ ও পুনর্গঠনসামগ্রী প্রবেশে বিধিনিষেধ অব্যাহত থাকায় বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর নিরাপদ আশ্রয়ে ফেরা এবং স্বাভাবিক জীবন শুরু করা কঠিন হয়ে পড়েছে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : gbanglanews

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
সরকারি চাকরিতে বহাল এনসিপির সাংগঠনিক পদে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার জগলু

সরকারি চাকরিতে বহাল এনসিপির সাংগঠনিক পদে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার জগলু